দরুদ শরীফ পাঠের ফজিলত

দরুদ শরীফ পাঠের কিছু ফজিলতঃ
========================
দরুদ শরীফ পাঠের অসংখ্য ফজিলত রয়েছে।
১। দরুদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়’লার নির্দেশ পালন হয়।
২। একবার দরুদ শরীফ পাঠ করলে আল্লাহ তায়’লা ১০ বার রহমত বর্ষন করেন।
৩। একবার দরুদ শরীফ পাঠ করলে মহান আল্লাহ আমাদের মর্যাদাকে ১০ গুণ বৃদ্ধি করে দেন।
৪। একবার দরুদ শরীফ পড়লে ১০টি নেকী লাভ করা যায়।
৫। একবার দরুদ শারীফ পাঠ করলে ১০টি গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
৬। দোয়ার পারম্ভে ও শেষে দরুদ শরীফ পড়লে দোয়া কবুল হয়।
৭। বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়লে রাছুল (সাঃ) এর শাফায়াত নসীব হবে।
৮। গুনাহ মাফের অন্যতম এক মাধ্যম হচ্ছে দরুদ শরীফ।
৯। বেশি বেশি দরুদ শরীফ কিয়ামতের দিবসে রাছুল (সাঃ) এর নৈকট্য অর্যনের মাধ্যম।
১০। যারা দান সদকা করতে অক্ষম দরুদ শরীফ তাদের জন্য দান সদকা সমতূল্য।
১১। দরুদ শরীফ অভাব অনটন দূরীভূত হওয়ার একটা উপায়।
১২। দরুদ শরীফ পাঠকারীর জন্য ফিরিসতারা আল্লাহর নিকট ক্ষমা পার্থনা করেন।
১৩। দরুদ শরীফ আল্লাহর রহমত প্রাপ্তির উপায়।
১৪। দরূদ শরীফ পাঠককে পবিত্র করে।
১৫। বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ মৃত্যুর পূর্বেই জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়ার মাধ্যম।
১৬। কিয়ামতের দিনের কঠিন ও ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে নাজাত ও পরিত্রানের একটি মাধ্যম হচ্ছে দরুদ শরীফ।
১৭। ভূলে যাওয়া কিছু স্বরণ করতে দুরুদ শরীফ।
১৮। রাছুল (সাঃ) এর দরুদ ও সালাম পাঠকারী রাছুল (সাঃ) এর সালামের উত্তরে ধন্য হয়।
১৯। বেশী বেশী দরুদ শরীফে অভাব অনটন দূর হয়।
২০। দরুদ শরীফ পাঠকারী কৃপন না।
২১। বেশী বেশী দরুদ শরীফ জান্নাতের পথকে সুগম করে।
২২। কোন বৈঠকের অনর্থক কথাবার্তার কাফফারা হচ্ছে দরুদ শরীফ।
২৩। দরুদ শরীফ পড়লে বরকত অর্জন হয়।
২৪। দরুদ শরীফ পড়লে রাছুল (সাঃ) এর ভালোবাসা অর্জন হয়।
২৫। দরুদ শরীফ পড়লে আল্লাহর যিকিরও আদায় হয়।

اللهم صل على سيدنا محمد وعلى آله وأصحابه وبارك وسلم

তথ্য সূত্রঃ ১। জালায়ুল আফহাম। ২। আল কাওলুল বাদঈ।

লেখা: মোহাম্মদ নুরুন্নবী

5/5 - (1 vote)